আন কথা,আন ব্যথা, নাহি যেন যাই তথা,
আন কথা,আন ব্যথা, নাহি যেন যাই তথা,
তোমার চরণ-স্মৃতি মাঝে।
অবিরত অবিকল, তুয়া
গুণ কলকল,
গাই যেন সতের সমাজে॥
অন্যব্রত,অন্যদান, নাহি
কঁরো বস্তু-জ্ঞান,
অন্যসেবা অন্যদেবপূজা।
‘হা হা কৃষ্ণ!’ বলি’ বলি’, বেড়াব
আনন্দ করি’,
মনে আর নহে যেন দুজা॥
জীবনে মরণে গতি, রাধাকৃষ্ণ
প্রাণপতি,
দোঁহার পীরিতি-রস-সুখে।
যুগল ভজয়ে যাঁরা, প্রেমানন্দে
ভাসে তাঁরা,
এই কথা রহু মোর বুকে॥
যুগলচরণ-সেবা, এই ধন মোরে দিবা,
যুগলেতে মনের পীরিত।
যুগল-কিশোর-রূপ, কাম-রতি-গুণ-ভূপ,
মনে রহু ও লীলা-পীরিতি॥
দশনেতে তৃত করি’, হা হা কিশোর-কিশোরী,
চরণাব্জে নিবেদন করি।
ব্রজরাজ-সুত-শ্যাম, বৃষভানুসুতা-নাম,
শ্রীরাধিকা-নাম মনোহারী॥
কনক-কেতকী রাই, শ্যাম-মরকত তায়,
কন্দর্প-দরপ করু চুর।
নটবরশিরোমণি, নটিনীর শিখরিণী,
দুঁহু গুণে দুঁহু মন ঝুর॥
শ্রীমুখ সুন্দরবর, হেম-নীল-কান্তিধর,
ভাব-ভূষণ করু শোভা।
নীল-পীত-বাস-ধর, গৌরী-শ্যাম মোনহর,
অন্তরের ভাবে দুঁহে লোভা॥
আভরণ মণিময়, প্রতি অঙ্গে অভিনয়,
তছু পায়ে নরোত্তম কহে।
দিবানিশি গুণ গাঙ, পরম আনন্দ পাঙ,

কোন মন্তব্য নেই