কৃষ্ণ-বংশীগীত শুনি’, দেখি’ চিত্রপটখানি,
কৃষ্ণ-বংশীগীত শুনি’, দেখি’ চিত্রপটখানি,
লোকমুখে
গুণ শ্রবণিয়া।
পূর্বরাগাক্রান্ত
চিত, উন্মাদ-লক্ষণান্বিত,
সখীসঙ্গে
চলিলা ধাইয়া॥১॥
নিকুঞ্জকাননে
করিল অভিসার।
মানিল
নিবারণ, গৃহকার্য
অগণন,
ধর্মাধর্ম
না করিল বিচার॥২॥
যমুনাপুলিনে
গিয়া, সখীগণে
সম্বোধিয়া,
জিজ্ঞাসিল
প্রিয়ের উদ্দেশ।
ছাড়িল
প্রাণের ভয়, বনেতে
প্রবেশ হয়,
বংশীধ্বনি
করিয়া নির্দেশ॥৩॥
নদী
যথা সিন্ধুপ্রতি, ধায় অতি
বেগবতী,
সেইরূপ
রসবতী সতী।
অতি
বেগে কুঞ্জবনে, গিয়া
কৃষ্ণ-সন্নিধানে,
আত্ম
নিবেদনে কৈল মতি॥৪॥
কেন মোর দুর্বল লেখনী নাহি সরে?
অভিসার আরম্ভিয়া সকম্প অন্তরে॥৫॥
মিলন,
সম্ভোগ, বিপ্রলম্ভাদি-বৰ্ণন।
প্রকাশ করিতে নাহি সরে মম
মন॥৬॥
দুর্ভাগা না বুঝে রাসলীলা তত্ত্বসার।
শূকর যেমন নাহি চিনে
মুক্তাহার॥৭॥
অধিকারহীন-জন মঙ্গল চিন্তিয়া।
কীর্তন করিনু শেষ কাল
বিচারিয়া॥৮॥

কোন মন্তব্য নেই