অপূর্ব বৈষ্ণব-তত্ত্ব! আত্মার আনন্দ-

 

অপূর্ব বৈষ্ণব-তত্ত্ব! আত্মার আনন্দ-

প্রস্রবণ!নাহি যার তুলনা সংসারে।

স্বধর্ম বলিয়া যার আছে পরিচয়
 এ জগতে!এ তত্ত্বের শুন বিবরণ।

পরব্রহ্ম সনাতন আনন্দ-স্বরূপ,

নিত্যকাল রস-রূপ, রসের আধার-

পরাৎপর, অদ্বিতীয়, অনন্ত, অপার!

তথাপি স্বরূপতত্ত্ব, শক্তি-শক্তিমান,

লীলারস-পরাকাষ্ঠা, আশ্রয়-স্বরূপ।

তর্ক কি সে তত্ত্ব কভু স্পর্শিবারে পারে

রসতত্ত্ব সুগম্ভীর!সমাধি-আশ্রয়ে॥১॥

উপলব্ধ! আহা মরি, সমাধি-আশ্রয় কি ধন!

সমাধিস্থ হয়ে দেখ, সুস্থির অন্তরে,

হে সাধক! রসতত্ত্ব অখণ্ড আনন্দ;

কিন্তু তাহে আস্বাদক-আস্বাদ্য বিধান,

নিত্যধর্ম অনুস্যূত! অদ্বিতীয় প্রভু,

আস্বাদক কৃষ্ণরূপ,—আস্বাদ্য রাধিকা,

দ্বৈতানন্দ! পরানন্দ-পীঠ বৃন্দাবন!

প্রাকৃত জগতে যাঁর প্রকাশ-বিশেষ

যোগমায়া-প্রকাশিতা! তাহার আশ্রয়ে

লভিছে সাধকবৃন্দ নিত্য প্রেমতত্ত্ব-

আদর্শ, যাহার নাম বিকুণ্ঠ-কল্যাণ!

যদি চাহ নিত্যানন্দ-প্রবাহ সেবিতে

অবিরত, গুরু-পাদাশ্রয়াকরজীব!

নীরস ভজন সমুদয় পরিহরি

ব্রহ্মচিন্তা আদি যত, সদা সাধরতি,

কুসুমিত বৃন্দাবনে শ্রীরাসমণ্ডলে।

পুরুষত্ব-অহঙ্কার নিতান্ত দুর্বল।

তব। তুমি শুদ্ধ জীব। আস্বাদ্য স্বজন,

শ্রীরাধার নিত্যসখী! পরানন্দরস

অনুভবিমায়াভোগ তোমার পতন!




কোন মন্তব্য নেই

merrymoonmary থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.