কৃষ্ণ তব পুণ্য হবে ভাই।
কৃষ্ণ তব পুণ্য হবে ভাই।
এ
পূণ্য করিবে যবে,
রাধারাণী
খুশী হবে,
ধ্রুব
অতি বলি তোমা তাই॥
শ্রীসিদ্ধান্ত
সরস্বতী শচী-সুত প্রিয় অতি,
কৃষ্ণ-সেবায় যাঁর তুল্য নাই।
সেই
সে মোহন্ত-গুরু, জগতের মধ্যে ঊরু,
কৃষ্ণভক্তি
দেন ঠাঁই ঠাঁই॥
তাঁর
ইচ্ছা বলবান, পাশ্চাত্যেতে ঠান্ ঠান্,
হয়
যাতে গৌরাঙ্গের নাম।
পৃথিবীতে
নগরাদি, আসমুদ্র নদনদী,
সকলেই
লয় কৃষ্ণ-নাম॥
তহলে
আনন্দ হয়, তবে হয় দিগ্বিজয়,
চৈতন্যের
কৃপা অতিশয়।
মায়াদুষ্ট
যত দুঃখী, জগতে সবাই সুখী,
বৈষ্ণবের
ইচ্ছা পূর্ণ হয়॥
সে
কার্য যে করিবারে, আজ্ঞা যদি দিলে মোরে,
যোগ্য
নহি অতি দীন হীন।
তাই
সে তোমার কৃপা, জাগিতেছে অনুরূপা,
আজি
তুমি সবার প্রবীণ॥
তোমার
সে শক্তি পেলে, গুরু-সেবা বস্তু মিলে,
জীবন
সার্থক যদি হয়।
সেই
সে সেবা পেলে, তাহলে সুখী হলে,
তব
সঙ্গ ভাগ্যেতে মিলয়॥
এবং
জনং নিপতিতং প্রভবাহিকূপে।
কামাভিকামমনু
যঃ প্রপতন প্রসাঙ্গাৎ॥
কৃত্বাত্মসাৎ
সুরর্ষিণা ভগবান গৃহীতঃ।
সোহহং
কথং নু বিসৃজে তব ভৃত্যসেবাং॥
(শ্রীমদ্ভাগবত ৭/৯/২৮)
তুমি
মোর চিরসাথী, ভুলিয়া মায়ার লাথি,
খাইয়াছি
জন্ম-জন্মান্তরে।
আজি
পুনঃ এ সুযোগ, যদি হয় যোগাযোগ,
তবে
পারি তুহে মিলিবারে ॥
তোমার
মিলনে ভাই, আবার সে সুখ পাই,
গোচরণে
ঘুরি দিন ভোর।
কত
বনে ছুটাছুটি, বনে খাই লুটাপুটি,
সেই
দিন কবে হবে মোর ॥
আজি
সে সুবিধানে, তোমার স্মরণ ভেল,
বড়
আশা ডাকিলাম তাই।
আমি
তব নিত্য দাস, তাই মোর এত আশ,
তুমি
বিনা অন্য গতি নাই ॥

কোন মন্তব্য নেই